1. admin@alokitobangla24.com : admin :
  2. zunaid.nomani@gmail.com : Zunaid Nomani : Zunaid Nomani
বুধবার, ০৫ অক্টোবর ২০২২, ০৬:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ফেনী উন্নয়ন ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাংবাদিক খলিলুর রহমানের ৩য় মৃত্যুবার্ষিকী পালিত ফ্রান্স বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফেনীর সাইফুল এসএসসি ২০০২ এবং এইচএসসি২০০৪ ব্যাচ বাংলাদেশ এর উদ্যেগে সুনামগঞ্জে বানভাষীদের ত্রাণ বিতরণ পদ্মা সেতু উদ্বোধন: ঢাকা এখন দক্ষিণাঞ্চলের হাতের মুঠোয় নেত্রকোণার মোহনগঞ্জে পানিবন্দী অসহায় ৪০০ পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী ও জরুরী ঔষধ দিলো আনন্দ সংঘ পুলিশ সদস্য কোরবান আলীকে চাপা দেওয়া বাস চালককে গ্রেফতারের দাবীতে মানববন্ধন স্মারক স্বর্ণমুদ্রার দাম বাড়ালো কেন্দ্রীয় ব্যাংক ২০২৩ সালে আইপিএলে ফিরছেন ডি ভিলিয়ার্স রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফজলি জিআই স্বীকৃতি পাবে সম্রাটকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ

বাংলাদেশ থেকে ভারতে ‘প্রাণ’-এর রফতানি এখন দ্বিগুণ

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ২৪ আগস্ট, ২০২১
  • ১৮১ বার পঠিত

ভারতে চাহিদা বাড়ছে বাংলাদেশের ‘প্রাণ’ কোম্পানির বিভিন্ন পণ্যের। দেশের বিভিন্ন সংস্থার পণ্যের সঙ্গে পাল্লা দিচ্ছে ওপার বাংলার এই কোম্পানির পণ্য। করোনার সময়ে যখন বিভিন্ন শিল্পের উৎপাদন কমেছে , সেই সময়েও ওপার বাংলার ‘প্রাণ গ্রুপের’ জিনিসের রফতানিতে কোনও ভাটা পড়েনি। বরং, আগের বছরের তুলনায় ২০২০–২১ অর্থবর্ষে ভারতে এই কোম্পানির বিভিন্ন পণ্যের রফতানি বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ।

২০২০-২১ সালে, এই কোম্পানি, ভারতে যে পণ্য রফতানি করেছে প্রায় মূল্য প্রায় ৬ কোটি ডলার। বাংলাদেশের হিসাবে প্রায় ৫১০ কোটি টাকা। আর তার আগের বছরে এই কোম্পানি ভারতে প্রায় ৩ কোটির ডলারের জিনিস রফতানি করে। প্রায় ২৫ বছর আগে শুধুমাত্র চানাচুর তৈরি করত প্রাণ গ্রুপ। এখন তারা আরও নানা রকমের খাবার জিনিস তৈরি করছে। যার মধ্যে আছে ফ্রুট ড্রিংকস, চিপস, স্ন্যাকস, বিস্কুট, ক্যান্ডি, সস, কেচাপ, নুডলস, জেলি, মসলা। তবে প্রাণের পটেটো বিস্কুট, লিচি ড্রিংকস, পটেটো ক্র্যাকার্স ভারতের বাজারে বেশি চাহিদা আছে।

কলকাতা, গুয়াহাটি, শিলং, আগরতলা সব জায়গাতেই, এবং বাংলাদেশ লাগোয়া পশ্চিমবঙ্গের যেসব জেলা আছে, সেখানেও, পাড়ার সাধারণ দোকানে দেখা যায় প্রাণ গ্রুপের একাধিক উৎপাদিত পণ্য। এমনকি দিল্লি, পাঞ্জাব, গুজরাট, বিহার বিভিন্ন রাজ্যেও পাওয়া যায় এই সমস্ত পণ্য। প্রাণ গ্রুপের চানাচুর প্রথমবার ভারতে রফতানি হয় ত্রিপুরা রাজ্যে। ১৯৯৭ সালে, কিছুদিনের মধ্যেই উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতেও রফতানি শুরু হয়।

এই দেশে যত পণ্য তারা রফতানি করে তার বেশিরভাগই করা হয় উত্তর পূর্ব ভারতে। মোট রফতানির ৫০ শতাংশ পণ্য রফতানি ত্রিপুরা, আসাম, মিজোরাম, মেঘালয় রাজ্যগুলিতে। প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের পরিচালক (বিপণন) কামরুজ্জামান কামাল দাবি করেন, শুধুমাত্র ভারতেই নয়, বিশ্বের আরও অন্যান্য দেশেও তাদের জিনিসের চাহিদা বাড়ছে। তবে ভারতই তাদের বৃহত্তম বাজার । এখানের তাদের মোট পণ্যর প্রায় ২০ থেকে ২৫ শতাংশ রফতানি হয়।

২০১৮-১৯ সালে ভারতে প্রায় সাড়ে ৪ কোটি ডলারের পণ্য রফতানি হয়। কিন্তু করোনার কারণে বিধিনিষেধ থাকায় ২০১৯-২০ সালে রফতানি হয় সাড়ে ৩ কোটি ডলার। তবে ২০২০–২১ বর্ষে রফতানি বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়ায় প্রায় ৬ কোটি ডলারে।

তথ্য সূত্রঃ এই সময়

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ আলোকিত বাংলা ২৪
Theme Customized BY Theme Park BD