1. admin@alokitobangla24.com : admin :
  2. zunaid.nomani@gmail.com : Zunaid Nomani : Zunaid Nomani
রবিবার, ০২ অক্টোবর ২০২২, ০১:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফেনী উন্নয়ন ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাংবাদিক খলিলুর রহমানের ৩য় মৃত্যুবার্ষিকী পালিত ফ্রান্স বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফেনীর সাইফুল এসএসসি ২০০২ এবং এইচএসসি২০০৪ ব্যাচ বাংলাদেশ এর উদ্যেগে সুনামগঞ্জে বানভাষীদের ত্রাণ বিতরণ পদ্মা সেতু উদ্বোধন: ঢাকা এখন দক্ষিণাঞ্চলের হাতের মুঠোয় নেত্রকোণার মোহনগঞ্জে পানিবন্দী অসহায় ৪০০ পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী ও জরুরী ঔষধ দিলো আনন্দ সংঘ পুলিশ সদস্য কোরবান আলীকে চাপা দেওয়া বাস চালককে গ্রেফতারের দাবীতে মানববন্ধন স্মারক স্বর্ণমুদ্রার দাম বাড়ালো কেন্দ্রীয় ব্যাংক ২০২৩ সালে আইপিএলে ফিরছেন ডি ভিলিয়ার্স রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফজলি জিআই স্বীকৃতি পাবে সম্রাটকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ

ফেনীর কায়সার মাহমুদ হত্যা মামলার রায়ঃ স্ত্রী নাদিয়ার যাবজ্জীবন কারাদন্ড

সাহেদ হোসেন চৌধুরী
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ২৪৫ বার পঠিত

সাহেদ হোসেন চৌধুরীঃ ফেনীর বহুল আলোচিত ব্যবসায়ী কায়সার মাহমুদ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেছেন ফেনীর জেলা ও দায়ারা জজ। ২৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার ফেনী জেলা ও দায়রা জজ ড. জেবুন্নেছা এ রায় ঘোষণা করেছেন। রায়ে নিহতের স্ত্রী একমাত্র আসামী শাহনাজ আক্তার নাদিয়া কে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেয়া হয়। রায় ঘোষণার সময় আসামী শাহনাজ আক্তার নাদিয়া আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে, গত সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে জেলা ও দায়রা জজ ড. জেবুন্নেছা আজ এই রায়ের দিন ধার্য করেন। গত বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হাফেজ আহম্মদ জানান, গতকাল এ মামলায় যুক্তি তর্ক উপস্থাপন করা হয়েছে। আসামীপক্ষে ছিলেন আইনজীবী আহসান কবির বেঙ্গল।

গত ১৫ সেপ্টেম্বর কায়সার হত্যা মামলার প্রথম তদন্তকারী কর্মকর্তা মোঃ আলমগীর হোসেন আদালতে সাক্ষ্য দেন। এর আগে গত ১৪ ফেব্রুয়ারী এ মামলার দ্বিতীয় তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোঃ কামরুল ইসলাম খান ও লাশ বহনকারী কন্সটেবল আবদুল মতিনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। এ মামলার বাদী প্রফেসর আবুল খায়ের, ম্যাজিস্ট্রেট ও তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ ১৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। কায়সার হত্যা মামলায় ২৯ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের রামপুর ভূইয়া বাড়ি সড়কস্থ নজির সওদাগর বাড়ির প্রফেসর আবুল খায়েরের ছেলে কায়সার মাহমুদের সাথে আনন্দপুর ইউনিয়নের বন্দুয়া দৌলতপুর গ্রামের আবুল কাশেমের মেয়ে শাহনাজ নাদিয়ার সাথে বিয়ে হয়। বিয়ের কয়েকমাস পর তাদের মধ্যে মনমালিন্য দেখা দেয়। ২০১৪ সালের ২৫ মার্চ শাহনাজ নাদিয়া কুমিল্লা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন লতিফ টাওয়ারে তার বাবার বাসায় বেড়াতে যায়। ১১ এপ্রিল বিকালে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখানোর জন্য কায়সারদের বাসায় আসে। কায়সার সহ নাদিয়া ডাক্তার দেখানোর জন্য বাসা থেকে বের হয়। পরে আর কাওসারের বাসায় ফেরা হয়নি। ওইদিন রাতে ফালাহিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন কবরস্থানের পাশে রাত সাড়ে ৯ টার দিকে কাওসারকে দূর্বৃত্তরা উপর্যুপরি ছুরির আঘাত করে পালিয়ে যায়। তখন তার সাথে তার স্ত্রী নাদিয়াও ছিল। পরে তাকে উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।

ময়নাতদন্ত শেষে ১২ এপ্রিল দুপুরে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। ওইদিন রাতে তার পিতা প্রফেসর আবুল খায়ের বাদী হয়ে শাহনাজ নাদিয়া ও তাদের বাড়ির মোঃ হারুনকে আসামী করে মামলা দায়ের করে। মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোঃ আলমগীর হোসেন বাসা থেকে শাহনাজ নাদিয়াকে গ্রেফতার করে ১৩ এপ্রিল বিকালে আদালতে ১৬৪ ধারা জবানবন্দী নেয়। শাহনাজ নাদিয়া ১৬৪ ধারা জবানবন্দীতে কায়সারকে হত্যার কথা স্বীকার করে। সে কায়সারকে একাই হত্যা করেছে বলে আদালতে স্বীকারোক্তীমূলক জবানবন্দী দেয়।

মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোঃ আলমগীর হোসেন চাঁদপুর বদলি হওয়াতে ২০১৪ সালের ৭ জুন মামলা তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় এসআই কামরুল ইসলামকে। এ মামলার অপর আসামী বন্দুয়া দৌলতপুর গ্রামের মৃত মোঃ হাফেজের ছেলে মোঃ হারুন একই বছর আগষ্ট মাসে দূর্বৃত্তদের হাতে খুন হয়। তদন্তকারী কর্মকর্তা মোঃ হারুন ও নাদিয়াকে অভিযুক্ত করে ২০১৫ সালের ৩০ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র প্রদান করে। বাদী প্রফেসর আবুল খায়ের আদালতে আপত্তি জানালে পুনঃতদন্ত করার নির্দেশ দেন আদালত। পরে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই কামরুল ইসলাম নাদিয়াকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র প্রদান করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ আলোকিত বাংলা ২৪
Theme Customized BY Theme Park BD